বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯

Bangabandhu Inter University Sports Champs 2019

তারুণ্যের বাংলাদেশ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ

যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। দেশের বর্তমানে প্রায় ৫ কোটি ৩০ লাখ তারুণ্য, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের “সোনার বাংলা”, ডিজিটাল বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গঠনে প্রধানতম শক্তি হচ্ছে এই তরুন যুবসমাজ। দেশের এই তারুণ্যের শক্তিকে উদ্যমী, কর্মস্পৃহ, সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতি বছর আমরা একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়কে প্রতিপাদ্য করে “বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প” আয়োজন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের তরুণ যুবসমাজের প্রাণশক্তিকে সামাজিক চালিকাশক্তি হিসেবে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই ধরনের উদ্যোগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সেই লক্ষ্যে, বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে ধারণ করে তারুণ্যের উদ্যম ও উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত হয়ে আজকের তারুণ্য সুস্থ বিনোদনের সংস্কৃতি তৈরি করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অংশগ্রহণকারী দেশের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ স্বর্ণপদক বিজয়ী বিশ্ববিদ্যালয়কে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯ঘোষণা করে এক বছরের জন্য চ্যাম্পিয়ন ট্রফি প্রদান করা হবে।

সর্বোচ্চ স্বর্ণপদক বিজয়ী পুরুষ ক্রীড়াবিদকে বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ক্রীড়াবিদ, পুরুষ পদকে ভূষিত করা হবে।

সর্বোচ্চ স্বর্ণপদক বিজয়ী নারী ক্রীড়াবিদকে বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ক্রীড়াবিদ, নারী পদকে ভূষিত করা হবে।

প্রত্যেক ইভেন্টের সেরা ৩ জন হিসেবে মোট ১০৫ জন বিজয়ী ক্রীড়াবিদকে যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদকে ভূষিত করে মোট ৪৪৩টি পদক প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশে ১৪৫টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য এই আয়োজন উন্মুক্ত। সকল ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী এই আয়োজনে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

তারুণ্যের প্রাণশক্তিতে বলিয়ান হয়ে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে নিম্ন উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯ আয়োজন করা হয়েছে-

  • দেশের তরুণসমাজের প্রাণশক্তিকে সামাজিক চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা।
  • শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ, সহিষ্ণুতা, মনোবল বৃদ্ধি ও খেলাধুলায় উৎসাহী করে গড়ে তোলা এবং ক্রীড়াচর্চায় উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে জাতির জনকের আদর্শে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনে তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করা।
  • মাদক ও জঙ্গীবাদের অপচ্ছায়া থেকে দূরে রেখে দেশের তরুণসমাজকে সুস্থ বিনোদনের সংস্কৃতিতে অন্তর্ভূক্ত করা।
  • সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সেতুবন্ধনের একটি ক্ষেত্র তৈরি করা। সম্মিলিতভাবে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কের দিগন্ত উন্মোচন করা।
  • ক্রীড়া উৎসাহী দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে মেধাবীমুখ খুঁজে বের করা।
  • বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বপ্নের সোনার বাংলা ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে দেশের যুব সমাজকে অগ্রণী সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলা।
  • এই উদ্যোগ আগামী বছর মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

উপদেষ্টা কমিটি

মো: জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি
সভাপতি
(মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়)

নাজমুল হাসান পাপন, এমপি
সহ-সভাপতি
(সভাপতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড)

নাহিম রাজ্জাক, এমপি
আহ্বায়ক

নাইমুর রহমান দুর্জয়, এমপি
সদস্য
(পরিচালক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড)

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
সদস্য সচিব
(সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়)

প্রফেসর আব্দুল মান্নান
সদস্য
(চেয়ারম্যান, ইউজিসি)

মোঃ মাসুদ করিম
সদস্য
(সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ)

কাজী সালাউদ্দিন
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন)

এ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ
ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন)

এ এস এম আলী কবীর
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ এ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন)

মোঃ আব্দুল মালেক
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন)

ড. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশন)

মোঃ আতিকুল ইসলাম
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন)

শফিউল্লাহ আল মুনির
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশন)

এ কে এম নুরুল ফজল বুলবুল
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশন)

মোঃ আব্দুল করিম
সদস্য
(সভাপতি, বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন)

ড. কাজী আনিস আহমেদ
সদস্য
(যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এপিইউবি)

সাব্বির বিন শামস্
সদস্য
(নির্বাহী পরিচালক, সিআরআই)

বাস্তবায়নে

স্পেলবাউন্ড লিও বার্নেট

মানবিকতার উদ্বোধনে সৃজনশীলতা

স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেড ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারুণ্যনির্ভর সৃজনশীল প্রকাশের মাধ্যমে দেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সমমনা বিজ্ঞাপনী সংস্থা লিও বার্নেট-এর সাথে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে স্পেলবাউন্ড। দেশের যুবসমাজের স্বার্থে যেকোন উদ্যোগে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে স্পেলবাউন্ড। আমরা বিশ্বাস করি, যুবসমাজের সৃজনশীলতা বিকাশের মধ্য দিয়ে মানবিকবোধের উন্মেষ ঘটতে পারে। যার মাধ্যমে সমাজের গুণগত ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব।

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে আমরা দেখি বঙ্গবন্ধুও তাঁর কৈশোর ও তরুণ বয়সে ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে নিজেকে বিকশিত করার প্রয়াস পেয়েছিলেন। তিনি নিজের তারুণ্যের কথা স্মরণ করতে গিয়ে বলেন, “(আমি) খেলাধুলা করতাম, গান গাইতাম এবং খুব ভাল ব্রতচারী ছিলাম”। আমরা বঙ্গবন্ধুর এই তারুণ্যের স্মৃতিচারণ থেকে যেমন উদ্দীপনা ও উচ্ছলতার পরিচয় পাই; তেমনি দেশ ও মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধের যে উন্মেষ ঘটেছিল সেই পরিচয়ও আমরা পাই। এই অনুপ্রেরণা থেকেই বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের মধ্যবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯-এর ধারণা গ্রহণ করি।

দেশের ৫ কোটি ৩০ লাখ যুবসমাজকে দেশ গঠনের হাতিয়ারে রূপান্তরের চিন্তা থেকেই আমাদের এই সংকল্প। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গেরও বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্প-২০১৯ বাস্তবায়নে আমরা যুগপতভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত।

Close Menu